১৯৭৮ সালের ৬ ই জুন ধামরাই উপজেলাস্থ ধামরাই  সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ ইকুরিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত  মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।।


পিতার নাম আমিনুর রশিদ, মাতা - ফাতেমা রশিদ। 
শরীফবাগ প্রাইমারি স্কুল থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়ে, হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হউন।
১৯৯৬ সালেএস,এস,সি তে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হউন।
১৯৯৮ সালে এইচএসসি ও প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৯৮-১৯৯৯ সেসনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হউন। 
অনার্স-মাস্টার্স কৃতিত্বের সাথে  সম্পন্ন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন।
২০০০ সালে ছাত্রদলের সহ- প্রচার সম্পাদক, ২০০২ সালে যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।
কাউন্সিলের মাধ্যমে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হউন।
২০০৪ সালে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হউন।
২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি এ দ্বায়িত্ব পালন করেন।
২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সময়ে ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্ব দেন।
২০১০ সালে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হউন।
২০১২ সালে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেন।
২০১৩ সালের ১৭ ই এপ্রিল  মিছিলে পুলিশ গুলি করলে নাজমুল হাসান অভি গুলিবিদ্ধ হউন। 
২০১৩ সালের উপজেলা নির্বাচন প্রচারণা চলাকালীন সময়ে কালামপুরে বাজার থেকে গ্রেফতার হউন।
২০১৪ সালের ৫ই জুন সুলতানা নাসরিন আহমেদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হউন।
২০১৬ সালে তিনি এক কন্যা সন্তানের বাবা হউন।

২০১৪ থেকে ২০১৮ সালে সরকার বিরোধী আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে রাজনীতি তে    
অংশগ্রহণ করেন।
২০১৮ সালের ৬ ই জুন তিনি ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হউন। 
এ সময় তিনি স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংবাদিক সম্পাদক নির্বাচিত হউন। 
২০১৯ সালে অক্টোবর মাসে তিনি নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কার্যালয়ে  সামনে বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থীর আবরার হত্যাকান্ডের বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে পূণরায় গ্রেফতার হউন।
২০২২ সালে ২৫ ডিসেম্বর ঢাকা জেলা   স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নির্বাচিত হউন। 
তিনি ধামরাই পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।তিনি ঢাকা জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২০২৪ সালে ৩৬ জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে ২৬ জুলাই ডিবি পুলিশের হাতে পুনরায় গ্রেফতার হউন এবং ৬ ই আগস্ট ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।
২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর তিনি ২য় কন্যা সন্তানের বাবা হউন।
তিনি মেসার্স ফাতেমা ট্রেডার্স এর সত্ত্বাধিকারী এবং ফ্রেম কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের ডিরেক্টর।

২৮ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ৩৭ টি মামলা,৩ বার গ্রেফতার , ১৫ দিন রিমাণ্ডের নামে শারীরিক ভাবে নির্যাতনের 
শিকার হউন।